কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০৯:৩৫ AM

এসডব্লিউএইসআর

কন্টেন্ট: পাতা

প্রকল্পের নাম:

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও মিঠা পানির প্রাপ্যতার জন্য দক্ষিণ-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ এবং গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে অ্যাকুইফার ম্যাপিং প্রণয়ন

(Aquifer Mapping through Hydrogeological Investigation and Mathematical Modeling in South-West Hydrological Region for Climate Change Adaptation and Freshwater Availability)

উদ্যোগী মন্ত্রণালয়: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

বাস্তবায়নকারী সংস্থা: পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (ওয়ারপো)

প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল: ১ জুলাই ২০২৫ – ৩০ ডিসেম্বর ২০২৮

প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়: ৪৭.১১ কোটি টাকা (সম্পূর্ণ জিওবি)

প্রকল্পের অনুমোদন:

পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (ওয়ারপো) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও মিঠা পানির প্রাপ্যতার জন্য দক্ষিণ-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ এবং গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে অ্যাকুইফার ম্যাপিং প্রণয়ন” শীর্ষক কারিগরি প্রকল্পটি সরকার কর্তৃক বিগত ২২ জুলাই জানুয়ারি, ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে অনুমোদন লাভ করে।

প্রকল্পের সামগ্রিক উদ্দেশ্য:

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের উপকূলীয় দক্ষিণ-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের ১৩ টি জেলায় বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ ও বাংলাদেশ পানি বিধিমালা, ২০১৮ এর কার্যকর প্রয়োগ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও মিঠা পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণের জন্য ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানি সম্পদের প্রাপ্যতা ও গুণগত মান নিরূপণ করে অ্যাকুইফার ম্যাপিং প্রণয়ন করা, সুপেয় পানির উৎস চিহ্নিত করা এবং ভূ-গর্ভস্থ পানিধারক স্তরের গুণগতমান ও নিরাপদ আহরণ সীমা নিরূপণ করে পানি সংকটাপন্ন এলাকা নিরূপণ করা। উক্ত অঞ্চলের শিল্প জোন, অর্থনৈতিক অঞ্চল, ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানির লবণাক্ততার মাত্রা, ভূ-উপরিস্থ পানি দূষণ, উদীয়মান দূষক (emerging contaminants) সনাক্তকরণ, নগরায়ণপ্রবণতা উক্ত প্রকল্পের কেন্দ্রীয় বিবেচ্য বিষয়।

প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা:

  • প্রকল্প এলাকায় পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের ছাড়পত্র ও ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের অনাপত্তিপত্র ইস্যুকরণের জন্য ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানি সম্পদের প্রাপ্যতা ও গুণগতমান সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও অ্যাকুইফার ম্যাপিং প্রণয়ন করা;
  • প্রকল্প এলাকায় ইউনিয়ন/মৌজা পর্যায়ে সম্ভাব্য মিঠা পানির আধার নির্ধারণ করে পানির নিরাপদ আহরণ সীমা (safe yield level) নির্ধারণ করা;
  • প্রকল্প এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ (আগামী ২০৩৫, ২০৫০, ২০৭৫, ২১০০ সালের জন্য ইউনিয়ন/মৌজা ভিত্তিক) প্রাপ্যতা, ব্যবহার ও চাহিদা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ বিবেচনা করে পানি সংকটাপন্ন এলাকা (Water Stress Area) নিরূপণ করা;
  • প্রকল্প এলাকায় টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ভূ-উপরিস্থ, ভূ-গর্ভস্থ ও বৃষ্টির পানির সমন্বিত ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত কৌশল প্রণয়ন ও প্রচার করা;
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও উপকূলীয় এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্যে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা;
  • মেশিন লার্নিং টেকনোলজির মাধ্যমে ওয়ারপো’তে একটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর Decision Support System (DSS) প্রস্তুত/ আপডেট করা।

প্রকল্প এলাকা:

দক্ষিণ-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের ১৩টি জেলা - কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলা।

চিত্র : বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের প্রকল্প এলাকা (১৩টি জেলা)

ক্রঃ নংবিভাগের নামজেলার নাম ও সংখ্যাউপজেলার সংখ্যাইউনিয়নের সংখ্যামৌজার সংখ্যা
১.খুলনা১০ (কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট)৫৯৫৮১৬৬৭৩
২.ঢাকা২ (রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ)১০১০৯১৪৭৫
৩.বরিশাল১ (পিরোজপুর)৫৩৩৯২
মোট (৩টি বিভাগ)১৩৭৬৭৪৩৮৫৪০

প্রকল্পের প্রধান কার্যাবলী:

কম্পোনেন্ট - ১ সুনির্দিষ্ট কার্যাবলী [অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ মূল্যায়ন (PRA)]

  • PRA প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৌজা ভিত্তিক পানির উৎস্য, ব্যবহার, গুণগতমান সনাক্তকরণ এবং খাতওয়ারী পানি ব্যবহারের চাহিদা নির্ধারণ করা;
  • পানি সম্পদের প্রাপ্যতা, ব্যবহার, গুণগতমান ও চাহিদা সম্পর্কে জনগণের মতামত ও অগ্রাধিকারকে অন্তর্ভুক্ত করা;
  • PRA প্রতিবেদনে পানি সম্পদ বিষয়ে বিভিন্ন অনগ্রসর গোষ্ঠীর মতামত, চাহিদা ও আকাঙ্খার প্রতিফলন নিশ্চিত করা;
  • বিভিন্ন প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী উৎস থেকে সংগৃহীত তথ্য ও উপাত্তসমূহকে GIS/RS অ্যাপ্লিকেশন প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে তথ্য-উপাত্ত সম্বলিত ম্যাপ প্রস্তুত করা;
  • PRA রিপোর্টের খসড়ার উপর ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে মতবিনিময় কর্মশালার মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ;
  • সকল উপজেলার তথ্য-উপাত্ত সম্বলিত প্রতিবেদন সমন্বিত করে প্রতি জেলার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ PRA রিপোর্ট প্রণয়ন করা।

কম্পোনেন্ট - ২ সুনির্দিষ্ট কার্যাবলী [ভূ-তাত্বিক জরিপ এবং গানিতিক মডেল]

  • সেকেন্ডারী উৎস থেকে হাইড্রোলজিক্যাল, মেটেওরোলজিক্যাল, হাইড্রো-জিওলজিক্যাল, মরফোলজিক্যাল তথ্য এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল (DEM), ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তর, গুনগত মান, অ্যাকুইফারের বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা;
  • উপরোক্ত তথ্যাবলী এবং অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ মূল্যায়ন (PRA) প্রতিবেদন এবং প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে বর্তমান পানি ব্যবহারের পরিস্থিতি, সেক্টরাল পানির চাহিদা, পানির গুণগতমান, ভূপৃষ্ঠের পানির প্রবাহ বাড়ানোর প্রক্রিয়া এবং ভূগর্ভস্থ পানির রিচার্জ পদ্ধতি পরীক্ষা করা;
  • প্রকল্প এলাকার সংশ্লিষ্ট প্রধান নদী ও উপনদী/শাখা নদীর cross section জরিপ করা, IoT সেন্সর স্থাপন করে পানির লবনাক্ততা পরিমাপ করা, নদীর প্রবাহ পরিমাপ করা এবং নদীর তলদেশের মাটির উপাদান সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা;
  • প্রকল্প এলাকায় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান কুপ (exploratory drilling ) খনন এবং ভূ-গর্ভস্থ পর্যবেক্ষণ কূপ স্থাপন (গুচ্ছ কূপ বা একক কূপ) এবং পুরাতন কূপগুলো পুনরায় সচল করে ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের পর্যবেক্ষণ, গুনগত মান, অ্যাকুইফারের প্রকৃতি এবং ভূ-গর্ভস্থ শিলাস্তর নিরীক্ষা করা;
  • গুচ্ছ কূপ (Clustered wells) স্থাপন ও ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের পর্যবেক্ষণ ও গুনগত মান নির্ণয় এবং নদীর সাথে অ্যাকুইফারের সংযোগ নির্ধারনের জন্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক line well স্থাপন;
  • Geophysical Resistivity Survey (GPRS) এর অধীনে Vertical Electric Sounding (VES) পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার অ্যাকুইফারের প্রকৃতি ও গঠনের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করা;
  • প্রকল্প এলাকায় pumping tests/aquifer tests করার মাধ্যমে অ্যাকুইফারের বিভিন্ন গুনগত বৈশিষ্ট্য (specific storage, specific yield, porosity, transmissivity, hydraulic conductivity ইত্যাদি) নিরীক্ষা করা;
  • মনিটরিং কূপগুলোতে IoT সেন্সর স্থাপন করে অটোমেশনের মাধ্যমে real time তথ্য সংগ্রহ ও তাৎক্ষনিক স্থানান্তরের জন্য ওয়ারপোতে একটি ক্লাউড-ভিত্তিক মনিটরিং সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করা;
  • নদী ও অ্যাকুইফার থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে মাঠ পর্যায়ে ও পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে হাইড্রো-কেমিক্যাল বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভূ-পরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির গুনগত মান নিরীক্ষা করা;
  • অ্যাকুইফারের ব্যাপ্তি, ধরণ, বিস্তার ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং ভূ-তাত্ত্বিক ও পানির গুনগত মানের উপাদানসমূহ চিহ্নিত করে GIS ডাটাসেটের মাধ্যমে অ্যাকুইফার ম্যাপিং প্রস্তুত করা;
  • হাইড্রোডাইনামিক মডেল, Water Balance মডেল ও Rainfall-runoff মডেল অথবা অন্য কোন মডেল প্রস্তুত/আপডেট করা;
  • পানি সম্পদ প্রাপ্যতা মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণ করার জন্য Surface Water-Groundwater Interaction মডেল প্রস্তুত করা;
  • উপকূলীয় বেল্টের জন্য salinity intrusion মডেল প্রস্তুত করা;
  • জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরীক্ষার জন্য Global Climate Model (GCM) হতে Regional Climate Model এ ডাউনস্কেলিং করা;
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারনে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির (Sea Level Rise) প্রেক্ষিতে সমুদ্রের লবণাক্ততা মোকাবেলায় Bay of Bengal (BoB) মডেল তৈরি করা;
  • প্রস্তুতকৃত Surface Water-Groundwater Interaction মডেল ব্যবহার করে প্রকল্প এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-পরিস্থ পানির বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রাপ্যতা, গুনগতমান ও পুনর্ভরণ প্রক্রিয়া মূল্যায়ন করা এবং ভবিষ্যতে প্রাপ্যতার উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরীক্ষা করা;
  • গড়াই নদীর শুষ্ক মৌসুমের পানির প্রবাহ ও সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির বিবেচনা করে saline font এর গতিবিধি পরীক্ষা করা;
  • ইউনিয়ন/মৌজা পর্যায়ে অ্যাকুইফারের নিরাপদ পানি উত্তোলন স্তর (safe yield level) নিরূপন করা;
  • প্রকল্প এলাকায় পানি সম্পদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ(আগামী ২০৩৫, ২০৫০, ২০৭৫, ২১০০ সালের জন্য ইউনিয়ন/মৌজা ভিত্তিক) প্রাপ্যতা, ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, গুণগত মান ও পুনর্ভরণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে পানি সংকটাপন্ন এলাকা (Water Stress Area) নির্ধারণ করা;
  • ভূ-পরিস্থ, ভূ-গর্ভস্থ ও বৃষ্টির পানির সমন্বিত ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত কৌশল প্রণয়ন ও প্রচার করা;
  • বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এর ধারা ২(৫) অনুযায়ী প্রকল্প এলাকায় সুপেয় পানির আধার ও জলজ আবাসস্থল হিসাবে সম্ভাব্য জলাধারগুলোকে সংরক্ষণ করার জন্য চিহ্নিত করা;
  • মেশিন লার্নিং টেকনোলজির মাধ্যমে ডাটা imputation & forecasting এর সহায়তায় ওয়ারপোতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক Decision Support System (DSS) টুলস আপডেট করা।

প্রকল্পের আউটপুট:

প্রস্তাবিত কারিগরী প্রকল্পের প্রত্যাশিত আউটপুটসমূহ নিম্নরূপ:

  • আউটপুট ১
  • গণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকায় বিদ্যমান পানি সম্পদের ব্যবহার, গুণগত মান, চাহিদা, উৎস চিহ্নিত করে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার সঠিক অবস্থা সংক্রান্ত অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ মূল্যায়ন (PRA) প্রতিবেদন।
  • আউটপুট ২
  • (যেমন-খাবার পানি, গৃহস্থালি, সেচ, মৎস্য, শিল্প, বাণিজ্য প্রভৃতি) প্রকল্প এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ এবং ভূ-উপরিস্থ পানি সম্পদের প্রাপ্যতা, ব্যবহার এবং পানির গুণগত মানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভৌত ও রাসায়নিক উপাদানসমূহের বিশ্লেষণভিত্তিক প্রস্তুতকৃত চার্ট ও ম্যাপ।
  • আউটপুট ৩

অ্যাকুইফারের ব্যাপ্তি, বিস্তার ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য এবং ভূ-তাত্ত্বিক ও পানির গুণগত মানের উপাদানসমূহ সম্বলিত প্রস্তুতকৃত অ্যাকুইফার ম্যাপিং।

  • আউটপুট ৪

ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতা, চাহিদা ও পুনর্ভরণ বিবেচনা করে অ্যাকুইফারের নিরাপদ পানি উত্তোলন স্তর (safe yield level) নিরূপণ করে প্রস্তুতকৃত চার্ট ও ম্যাপ।

  • আউটপুট ৫

পানি সম্পদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ (আগামী ২০৩৫, ২০৫০, ২০৭৫, ২১০০ সালের জন্য ইউনিয়ন/মৌজা ভিত্তিক) প্রাপ্যতা, ব্যবহার, গুণগত মান, উদীয়মান দূষক (emerging contaminants) সনাক্তকরণ ও পুনর্ভরণের সার্বিক অবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ বিবেচনা করে পানি সংকটাপন্ন এলাকার (Water Stress Area) তথ্য-উপাত্ত ও প্রস্তুতকৃত ম্যাপ।

  • আউটপুট ৬

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও উপকূলীয় এলাকার জনগণের আর্থ- সামাজিক উন্নয়নের জন্যে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন।

  • আউটপুট ৭

ওয়ারপো’তে একটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক Decision Support System (DSS) প্রস্তুত/আপডেট এবং NWRD তে অন্তর্ভুক্তকরণ।

প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতিঃ

বিষয়

আর্থিক ব্যয়

মন্তব্য

মোট টিপিপি ব্যয়ঃ

৪৭১১.৩০ লক্ষ টাকা

২০২5-২6 অর্থবছরে আরএডিপি বরাদ্দঃ

২৬৪.০০ লক্ষ টাকা

আর্থিক অগ্রগতিঃ

বাস্তব অগ্রগতিঃ

৪.০০ লক্ষ টাকা (৫%)

১৫%

প্রকল্পের প্রধান কম্পোনেন্টসমূহের অগ্রগতি

  • প্রকল্পের Participatory Rural Appraisal (PRA) সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পাদনের নিমিত্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের লক্ষ্যে ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে e-GP Portal Request for Expressions of Interest (REOI) প্রকাশ করা হয় এবং ‘দরপত্র ও প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটি’ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ (PPR-2025) অনুসরণপূর্বক দাখিলকৃত Expressions of Interest (EOI) সমূহের একই ধরনের সম্পাদিত কাজের অভিজ্ঞতা, মূল পেশাজীবীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা, আর্থিক সঙ্গতি এবং ব্যবস্থাপনাগত সামর্থ্য ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে shortlisted প্রতিষ্ঠান সমূহে Request for Proposal (RFP) জারি করা হয়েছে।

  • প্রকল্পের অন্যতম কম্পোনেন্ট (Hydrogeological Investigation and Mathematical Modelling) সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষ্যে REoI এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে, অতিশীঘ্রই EoI আহ্বান করা হবে।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন