কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ০৮:৫০ PM

এনডব্লিউআরপি

কন্টেন্ট: পাতা

প্রকল্পের নাম: “জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা প্রণয়ন (Preparation of National Water Resources Plan)”

 

উদ্যোগী মন্ত্রণালয়: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

বাস্তবায়নকারী সংস্থা: পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (ওয়ারপো)

প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল:  এপ্রিল ২০২৫ হতে জুন ২০২৭ পর্যন্ত

প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়: ১১.৭০ কোটি টাকা (সম্পূর্ন জিওবি)

 

প্রকল্পের অনুমোদন:

পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (ওয়ারপো) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা প্রণয়ন (Preparation of National Water Rersources Plan)” শীর্ষক কারিগরি প্রকল্পটি সরকার কর্তৃক বিগত ০৮ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে অনুমোদন লাভ করে।

 

প্রকল্প এলাকা: সমগ্র বাংলাদেশ।

 

প্রকল্পের সামগ্রিক উদ্দেশ্য:

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ অনুযায়ী জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ ও বাংলাদেশ পানি বিধিমালা, ২০১৮ বাস্তবায়ন ও দেশের পানি সম্পদের যৌক্তিক ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করণ।

 

প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য লক্ষ্যমাত্রা নিম্নরূপ:

  • জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০০১-কে ভিত্তি হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে তা হালনাগাদের উদ্দেশ্যে বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত নির্ভর জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা। প্রণীত পরিকল্পনাটি বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
  • জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনায় পানি সম্পদ নিরূপণ, মূল্যায়ন, বরাদ্দ, ব্যবহার, সংরক্ষণ এবং সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়সমূহের সাথে নতুন নতুন উদ্ভুদ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলাপূর্বক প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা কৌশল পরিমার্জন এবং মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার জন্য জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এর কর্মসূচির পোর্টফোলিও সংশোধনের বিষয় বিবেচনায় নেয়া হবে।

 

প্রকল্পের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যসমূহ:

১। জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এনডব্লিউএমপি) বাস্তবায়ন মূল্যায়ন;

২। জাতীয় পানি নীতি ও কৌশল হালনাগাদকরণ এবং জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক অন্যান্য নীতির সাথে সমন্বয়করণ;

৩। পানি সম্পদের বরাদ্দ ও বিস্তৃত বহু-ক্ষেত্রীয় সম্পদের (multi-sectoral resources) মধ্যে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কৌশলগুলোর পদ্ধতিগত মূল্যায়নের জন্য একটি কাঠামোর উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠাকরণ;

৪। বাংলাদেশের পানি সম্পদ (পরিমাণগত ও মানগত) ও  ভূমি সম্পদ ব্যবহারের মধ্য, দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাব্যতা ও সীমাবদ্ধতা মূল্যায়ন;

৫। পানি সেক্টর পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় জনগনের অংশীদারি অংশগ্রহণ ও উন্নয়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সচল করার জন্য কাঠানো শক্তিশালীকরণ;

৬। বৃষ্টির পানির সর্বাত্নক ব্যবহারসহ ভূপরস্থি এবং ভূগর্ভস্থ পানির সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিতকরণের সুপারিশ প্রস্তুতকরণ;

৭। পানি সম্পদের আহরণ, বিতরণ, ব্যবহার, সুরক্ষা সংরক্ষনের জন্য পরিকল্পনা উন্নয়ন এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার জন্য নির্দেশনা প্রস্তুতকরণ;

৮। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ডেল্টা (delta dynamics) বিবেচনায় রেখে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন;

৯। পানি সম্পদ পরিকল্পনা ও পরিচালনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিকল্পনা নির্দেশিকা, সরঞ্জাম, ম্যানুয়াল ইত্যাদি প্রস্তুতকরণ;

১০। পানি সম্পদের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সমন্বিত কোড (unified code of practice) স্থাপন;

 প্রকল্পের প্রত্যাশিত ফলাফল :

জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা এর ফলাফল তিন (০৩) টি কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এগুলো হলো:

  • ফ্রেমওয়ার্ক পরিকল্পনা:

১. প্রণীত জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা (ড্রাফট) হবে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নীতি ও কৌশল কাঠামোগুলোর সমন্বিত ও সর্বসম্মত দলিল, যার মধ্যে পানি খাতের পরিকল্পনা অর্ন্তভূক্ত করা হবে। এতে ভবিষ্যতে প্রস্তাবিত জাতীয়, আঞ্চলিক এবং উপ-আঞ্চলিক প্রকল্পগুলির একটি বিনিয়োগ পোর্টফোলিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং প্রকল্পসমূহ সংশ্লিষ্ট সেক্টর এজেন্সিগুলো দ্বারা প্রস্তুতকরণ এবং ওয়ারপো কর্তৃক স্ক্রীণিং করণের পদ্ধতি অর্ন্তভূক্ত থাকবে।

২. বেসিনভিত্তিক পরিকল্পনা

৩. পানির অগ্রাধিকার ব্যবহার পরিকল্পনা

৪. প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় পরিকল্পনা

৫. উন্নয়ন ফলাফল ফ্রেমওয়ার্কের প্রস্তুতি (ডিআরএফ)

৬. প্রস্তুতি নিরীক্ষণ সরঞ্জাম

৭. বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রণয়ন।

 

  • দৃশ্যকল্প বিশ্লেষণ প্রতিবেদন:

১. পানি সম্পদের বিশ্লেষণ (পরিবেশগত, বাস্তুতন্ত্র, আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক)

২. পানি সম্পদের স্বল্প, মধ্য, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, কাঠামোগত এবং অ-কাঠামোগত ব্যবস্থা চিহ্নিত করা এবং তাদের প্রত্যাশিত প্রভাব জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে বাস্তবায়ন

৩. পানি সম্পদের বর্তমান এবং ভবিষ্যত ব্যবহার

৪. পানি সম্পদের সংযোজক ব্যবহার

৫. লবণাক্ততা অনুপ্রবেশ

৬. ইলিশ অভিবাসন রুট

৭. জীববৈচিত্র্য।

 

  • পানি সম্পদ (ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ) নিরূপণ প্রতিবেদন

১.   ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ পানির গুণগত প্রতিবেদন

২.   ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ পানির পরিমানগত প্রতিবেদন

৩.   ভূগর্ভস্থ পানির ধারকস্তরের মানচিত্রায়ন প্রতিবেদন

৪.   পানি সম্পদ রপ্তানি সংক্রান্ত প্রতিবেদন

 

উপরের আউটপুটগুলোর সাথে জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনায় নিম্নলিখিত আউটপুটগুলোও থাকবে :

  • উপকরণ: ভবিষ্যত পানি সম্পদ পরিকল্পনা, বিনিয়োগে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রকল্প স্ক্রীন করার মানদণ্ড এবং পদ্ধতিগুলোর জন্য জনগণের অংশগ্রহণ এবং পরামর্শ ব্যবস্থা [People’s Participation and Consultation System (PPCS)] করা।
  • ডাটাবেস: বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩-এর পানি সম্পদ পরিকল্পনা ও পরিচালনা সম্পর্কিত দিকগুলোর উপর ডেটাবেস।
  • প্রতিবেদন: প্রাতিষ্ঠানিক, আইন, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত বিষয়গুলোর সহায়ক সমীক্ষা ও সুপারিশগুলোর প্রযুক্তিগত দিকগুলোর পটভূমি প্রদানকারী কার্যপত্র এবং প্রতিবেদনসমূহ।

 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন